Sponsored AD

Friday, April 18, 2014

বাড়িয়ে নিন আপনার Windows এর 100% Net Speed এবং Windows কে দেখিয়ে দিন বুড়ো আঙ্গুল আর উপভোগ করুন Full Speed এ Download এবং Browse

windows বিভিন্ন ভাবে bandwidth কেটে রেখে আমাদের নেট Speed কমিয়ে দেয়। এখন কি ভাবে  Windows কে  বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে Full Speed এ Download এবং Browse করার যায়?



এর জন্য কিছু পদ্ধতি রয়েছে। পদ্ধতি গুলো আমি ধাপে ধাপে তুলে ধরব। আমি নিজে এ পদ্ধতি গুলো ব্যবহার করে আমার windows থেকে ১০০% নেট Speed পাচ্ছি। তাই আপনাদের কাছে শেয়ার করলাম।

এ পদ্ধতিতে যাওয়ার আগে আপনার নেট Speed দেখেনিন। পদ্ধতি শেষ করার পর আপানার পিসি টি Restart দিন এবং নেট Speed চেক করে দেখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন আপনার নেট Speed বেরছে কিনা?


পদ্ধতি ১ Drain out DNS Cache

এ পদ্ধতি টি খুবই সহজ।নিচে তুলে ধরলাম।
  • প্রথমে আপনি CMD অপেন করুন Run as administrator দিয়ে।(Cmd লিখে windows যে drive এ আছে সেখানে Search দিন।তাহলে cmd পাবেন)
  • এখন টাইপ করুন IPCONFIG /FLUSHDNS এবং ইন্টার চাপুন।
  • নিচের ছবির মত হলে Close করে দিন।

পদ্ধতি ২ Disable Unnecessary Services

এ পদ্ধতি টি একটু ভাল ভাবে বুঝে করবেন।কিছু service আছে যে গুল আপনার নেট Speed কমিয়ে দেয়।
তাই সে গুল কে নিয়ন্তন করার পদ্ধতি নিচে দিয়ে দিলাম।
  • Run গিয়ে services.msc লিখে Enter চাপুন।
  • নিচের ছবির মত আসবে

  • এখন নিচের service গুলতে right click করে properties এ click করুন।
এখন নিচের ছবির মত automatic থেকে Manual করে ok দিয়ে বের হয়ে যান।



service গুলোর নাম। সব গুল service কে উপরের নিয়মে করতে হবে।
Diagnostic Policy Service, Distributed Link Tracking Client, Offline Files, Performance Logs & Alerts, Program Compatibility Assistant Service, Secondary Logon, Windows Error Reporting Service, Windows Image Acquisition (WIA)

পদ্ধতি ৩ Reset WinSock

WinSock  রিসেট দিলে আপনার ইন্টারনেট এর গতি  বেরে যায়। তাই মঝে মাঝে WinSock  রিসেট দিবেন। কি ভাবে WinSock  রিসেট দেবেন নিচে তুলে ধরলাম।
  • CMD অপেন করুন Run as administrator দিয়ে।
  • এখন NETSH INT IP RESET C:\RESETLOG.txt লিখে ইন্টার চাপুন
  • নিচের ছবির মত আসলে Cmd Close করুন।ব্যাস এটুকুই।

পদ্ধতি ৪ Update Network Card Driver

এ পদ্ধতিতে আপনার  Network Card Driver সফট টি Update করে নিতে হবে। আমাদের motherboard সিডি তে নতুন Network Card Driver থাকে না। তাই এটিও নেট speed কম হওয়ার কারন।
কিভাবে নতুন Network Card Driver সফট টি আপডেট করব তা নিচে দিলাম।
  • device manager ওপেন করুন।
  • Network adapters এ ভিতরে ঢুকুন।
  • আপনার Network Card Driver right click করে Update Driver Software click করুন।
  • নিচের ছবির মত আসলে Search automatically for updated driver software এ click করে
আপনার Network Card Driver সফট টি আপডেট করে নিন।


পদ্ধতি ৫ Disable Bandwidth Reserves

এ পদ্ধতিটি দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ পদ্ধতি টি হয়ত অনেকেই জানেন। যারা জানেন না তাদের জন্য কঠিন।

পদ্ধতি 1

  • Run গিয়ে gpedit.msc টাইপ করে ইন্টার চাপুন।নিচে ছবির মত আসবে

  • এবার এভাবে ধাপে ধাপে যান  Local Computer Policy\Computer Configuration\Administrative Templates\Network\QoS Packet Scheduler
  • এবার Limit reservable bandwidth  এ  right click করে Edit এ click করুন।
  • নিচের ছবির মত আসলে enabled এ click করুন এবং  Bandwidth limit to”0 লিখে ok দিয়ে বের হয়ে যান।

পদ্ধতি 2

  • Run গিয়ে regedit.exe টাইপ করে ইন্টার চাপুন।নিচে ছবির মত আসবে

  • এবার এভাবে ধাপে ধাপে যান HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Policies\Microsoft\Windows
  • এবার Pshed click করুন।দেখবেন ডান পাশে এই লিখাটি আছে NonBestEffortLimit।
  • NonBestEffortLimit right click করে Modify এ ঢুকুন।

  • এখন Decimal এ click করুন এবং  Value data 1 থেকে 100 দিন।তারপর ok দিন।


সব গুল ধাপ শেষ করে আপনার  computer টি Restart দিন। এখন উপভোগ করুন আপনার windows এ ১০০% Bandwidth। দেখবেন আপনার নেট অনেক খানি ফাস্ট হয়েছে। সব গুল পদ্ধতি আপনি ভাল ভাবে শেষ করতে পারলে windows এ ১০০% Bandwidth পারবেন।


Source: Techtunes


Read More

This assisted reading device could one day eliminate the need for braille

reading device could one day eliminate the need for braille

A handful of researchers at MIT’s Media Labs are working on a device capable of helping visually impaired and blind individuals read without the need for Braille. The FingerReader is equipped with a small camera that scans printed text and reads it out loud using a synthesized voice.

The current prototype is worn on the finger and is said to weigh no more than a regular ring. It uses heavily modified open source software and can read 12-point and larger printed text as well as on-screen text from, say, a Kindle.

The device uses haptic feedback (a tiny vibration) when the reader reaches the end of a line, starts a new line or strays too far above or below a line.

As you will no doubt notice in the demo video above, the device is little more than a proof of concept at this point and there’s a lot of work remaining. The synthesized voice is crude at best and you certainly won’t win any speed reading awards as the device operates at a snail’s pace. What’s more, the prototype isn’t exactly the most attractive gadget either.

But fortunately, these are all things that can and will be improved upon should the team eventually bring the FingerReader to market.

Researcher Roy Shilkrot says the final version won’t be just for people that have trouble seeing. It could also one day be used as an on-the-fly language translator, for example.

Source: techspot

Read More

Thursday, April 17, 2014

সাড়ে ১০ হাজার টাকার স্মার্টফোন মাত্র সাড়ে তিন হাজার টাকায়

ZTEV807 offer by banglalink
সাড়ে ১০ হাজার টাকার জেডটিইর স্মার্টফোন মাত্র সাড়ে তিন হাজার টাকায় দিচ্ছে মোবাইল অপারেটর কম্পানি বাংলালিংক। এই স্মার্টফোনটির বাজার মূল্য ১০ হাজার ৩৪৯ টাকা। আর প্রতিটি হ্যান্ডসেটের সঙ্গে এক গিগাবাইট ডেটাও ফ্রি দিচ্ছে। বংলালিংকের 'প্রিয়জন' প্লাটিনাম ও গোল্ড প্যাকেজের আওয়াতায় থাকা সদস্যরা পাবেন এই সুবিধা, তবে সিলভার সদস্যরা চার হাজার ২০০ টাকায় এই হ্যান্ডসেট পাবেন। এই স্পেশাল ZTEV807 অফারটি সারা দেশের বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ারে পাওয়া যাবে। বাংলালিংক সিম ব্যবহারকারী 'প্রিয়জন' গ্রাহকেরা তাঁদের স্ট্যাটাস জানতে *৬০০০# ডায়াল করে নিশ্চিত হতে পারেন অথবা হ্যান্ডসেটটি বাংলালিংক কাস্টমার কেয়ারে নিয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেবে কাঙ্খিত স্ট্যাটাস। তবে বাংলালিংকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা এই অফারটি পাবেন না বলে জানিয়েছে মোবাইল অপারেটর কম্পানিটি।

Source: Sharshongbad
Read More

Chelsea Clinton Announces She's Pregnant

Chelsea Clinton Announces She's Pregnant

 Former – and potentially future – First Daughter Chelsea Clinton made the big reveal on Thursday: She’s pregnant.

She announced the news during a speech in New York City with her mother, Hillary Clinton, at her side.

“Marc and I are very excited that we have our first child arriving later this year,” she said at the Lower East Side Girls Club at the end of a Clinton Foundation event dedicated to empowering young girls.

Clinton did not say if she and her husband, Marc Mezvinsky, are having a boy or a girl. But she later tweeted that her due date is sometime this fall.

“I certainly feel all the better whether it’s a girl or a boy that she or he will grow up in a world full of so many strong, young female leaders,” she told the audience full of young women. “So thank you for inspiring me.”

Grandmother-to-be Hillary Clinton connected the announcement to the focus of the day’s event, telling the crowd that she is not only excited for her family but for the future generations who may not have to face the same glass ceilings as she did.

“Obviously we are very excited about what's happening in our family,” she told the young women. “But we're also very excited because of what we're doing that we hope gives confidence and support to so many of you across our country as you make decisions about the lives you want to lead and try to make sure there are no ceilings that are stopping you from going as far and as high and as fast as you can.”

Actress America Ferrera, who was moderating the event, noted Hillary’s happiness: “I don't think anyone was smiling as big as your mom at that announcement.”

“I just hope that I will be as good a mom to my child -- hopefully children -- as my mom was to me,” Chelsea replied.

Bill and Hillary Clinton both responded on Twitter shortly after the announcement Thursday afternoon.

The news shouldn’t come as a complete shock.

In an interview with Glamour magazine last year, Clinton said that she and her husband were planed to make 2014 “the Year of the Baby.”

"We sat down and said, 'Here's what we want to do.' The first thing on the list was simple: We want, God willing, to start a family,” Clinton told the Magazine. “So we decided we were going to make 2014 the Year of the Baby.”

At the time Clinton added, “Call my mother and tell her that. She asks us about it every single day."

Indeed, Hillary Clinton has made no secret of the fact she’s been eager to become a grandmother.

“I will certainly tell you, that’s a title I would be proud to have,” Clinton said last fall.

And in September, former President Bill Clinton was asked the question by Charlie Rose: Would his wife prefer the title “president” or “grandmother”?

“If you ask her, I think she'd say grandmother," Bill Clinton said, "but I have found it best not to discuss that issue…. My goal is to live to be a grandfather.”

Source: Yahoo


Read More

Wednesday, April 16, 2014

হার্ট অ্যাটাক কিভাবে হয়

How is a heart attack
বন্ধুরা আসুন আজকে জেনে নেই কিছু স্বাস্থ্য বিষয়ে। আজকের বিষয় হার্ট অ্যাটাক কিভাবে হয় । সারাক্ষণ হার্টের কাজ করার জন্য প্রয়োজন হয় অক্সিজেন ও পুষ্টি। এই অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহের জন্য রয়েছে হার্টের নিজস্ব রক্তনালি। মূলত তিনটি রক্তনালি তাদের শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে রক্ত সরবরাহ করে থাকে হার্টের মাংসপেশিতে। পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু এই তিনটি রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণেই হয়। নিম্নে তা উল্লেখ করা হল : -

হার্ট অ্যাটাক কীভাবে হয়:

তিনটি রক্তনালির যেকোনো একটি যদি সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে হার্ট অ্যাটাক হয়। রক্তনালি যদি আস্তে আস্তে অনেক দিন ধরে বন্ধ হয়, তাহলে হার্ট অ্যাটাক নাও হতে পারে, কিন্তু হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেলে অবশ্যই হার্ট অ্যাটাক হবে।
অনেকের শরীরে বিভিন্ন রক্তনালিতে চর্বি জমে এবং রক্তনালি সরু হতে থাকে। ফলে বিভিন্ন অঙ্গে রক্ত সরবরাহ কমতে থাকে। হঠাৎ করে রক্তনালি বন্ধ হয়ে যাবে কি না, তা নির্ভর করে রক্তনালির মধ্যে জমে থাকা চর্বির ভেতরের দিকের যে আবরণ থাকে, তার ধরনের ওপর। ভেতরের দিকের আবরণ ফেটে গেলে সেখানে রক্ত জমাট বেঁধে রক্তনালির সরবরাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়। ফলে হার্টের মাংসপেশি নষ্ট হতে থাকে এবং এটাকেই হার্ট অ্যাটাক বলা হয়। তবে আট ঘণ্টার মধ্যে যদি রক্তনালি খুলে দেওয়া যায়, তাহলে হার্টের মাংসপেশিকে রক্ষা করা সম্ভব। গবেষণায় বিভিন্ন ফ্যাক্টরকে রক্তনালির ওপরের আবরণ ফেটে যাওয়ার জন্য দায়ী করা হয়ে থাকে, যেমন—
** অতিরিক্ত পরিশ্রম করা, যে পরিশ্রমে শরীর অভ্যস্ত নয়।
** অতিরিক্ত খাওয়া ও খাওয়ার পরপর শারীরিক পরিশ্রম করা।
** একসঙ্গে অতিরিক্ত ধূমপান করা।
**নিদ্রাহীনতা।
**অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা।
** হঠাৎ উত্তেজিত হওয়া বা রেগে যাওয়া।
** শরীরে যেকোনো ধরনের ইনফেকশন।

হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গ :

সাধারণত বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়। কখনো কখনো বুক চেপে আসা, বুক ভারী লাগা, বুক জ্বলে যাওয়া এ রকম উপসর্গ হতে পারে। বসা, শোয়া অবস্থায়ও ব্যথা হয়, ব্যথাটা বাঁ হাতে, গলায়, পেছনে ছড়িয়ে যেতে পারে। ব্যথার সঙ্গে ঘাম, বমি হওয়া ও শ্বাস বন্ধ হয়ে আসতে পারে।

হার্ট অ্যাটাক কীভাবে এড়িয়ে চলা যায়:

<> যেসব কারণে রক্তনালির আবরণ ফেটে যায়, সেগুলোকে এড়িয়ে চলা।
<> নিয়মিত হাঁটা। হাঁটলে হার্টে নতুন নতুন রক্তনালি তৈরি হয়।
<> যাঁদের বয়স ৪০ বছর পার হয়ে গেছে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেশি, তাঁরাl নিয়মিত অ্যাসপিরিন জাতীয়  ওষুধ খেতে থাকলে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা কমে যায়।
<> কোলস্টেরল কমানোর ওষুধগুলো রক্তে কোলস্টেরলের মাত্রা কমানোl ছাড়াও রক্তনালির ওপর জমে থাকা চর্বির আবরণ শক্ত করে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।
<>আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই এবং হার্ট অ্যাটাক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করি।
Source:beg24
Read More

ডাক্তারি ভাষায় প্রেম-ভালোবাসার উত্তর

love
ভালোবাসা কিংবা প্রেম -এই শব্দগুলোর মধ্যে জড়িয়ে থাকে আবেগ-অনুভূতি-দায়িত্ববোধ এবং বিশ্বাস। একজন আরেকজনকে দেখলেই পুলকিত হয়। বুকের ভেতর ধড়ফড় করা কিংবা মানুষটির জন্য অন্যরকম অনুভূতি কাজ করে। গল্পে-সাহিত্যে ভালোবাসা কিংবা প্রেমের নানান সংজ্ঞা রয়েছে। তবে ডাক্তারি ভাষায়ও কিন্তু প্রেমের নানান তথ্য রয়েছে। মানব-মানবীর প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে কথা বলেছেন মনোরোগ ও যৌন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. সালাহ্উদ্দিন কাউসার বিপ্লব।

প্রশ্ন : ডাক্তারি ভাষায় প্রেমটা কী?

উত্তর : প্রেম হচ্ছে দুটি বিন্দুর মধ্যে আকর্ষণ। সেটা মানব-মানবী হতে পারে আবার অন্য জিনিসের প্রতিও মানুষের প্রেম হতে পারে। প্রেমের আবেদনটা শুধু ভিন্ন থাকবে। মানব-মানবীর প্রেমের মধ্যে জেন্ডার ফিলিং থাকে। এই জেন্ডার ফিলিংটা হচ্ছে প্রেমের পূর্বশর্ত। যেমন- তাকে দেখামাত্রই আবেগাপ্লুত হওয়া, বুকে চাবুক মারা, চলে যাওয়ার পর মনে পড়া। এই জেন্ডার ফিলিং-এ আকুতি থাকবে। মানুষটাকে দেখার জন্য পীড়া দিবে।

প্রশ্ন : একজন মানুষ আরেকজন মানুষের প্রতি ভালোবাসার ডাক্তারি ব্যাখ্যা বলুন-

উত্তর : আমরা যদি ভয় পাই তাহলে যেমন হরমোন নি:সরণ হয় তেমনি কারো প্রতি ভালোলাগা তৈরি হলেও হরমোন নি:সরণ হয়। মানুষের শরীরে ‘ডপামিন’ নামক একটা জায়গা আছে। যেটা সকল আনন্দের মূল জায়গা। ক্ষুধা লাগার পর ভাত খেলে যেমনি আনন্দ লাগে। প্রিয় মানুষকে চুমু খেলে যেমন আনন্দ লাগে তেমনি প্রিয় মানুষের কাছে গেলেও আনন্দ লাগে। এই ডপামিন-ই ভালোবাসার ভালোলাগা পেতে শুরু করে। ফলে সে আরো চায়। কারণ ডপামিন সকল আনন্দের জায়গা, ঘুম, সেক্স, রিল্যাক্স মানে যত ধরনের আনন্দের জিনিস আছে তার প্রত্যেকটির মধ্যেই ডপামিন জড়িত থাকে।

এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন মানুষের নার্ভস-এ দুটি সিস্টেম রয়েছে। একটি হচ্ছে সোমাটিক ও অন্যটি অটোমেটিক। সোমাটিক হচ্ছে- ইচ্ছে করে করার বিষয়গুলো। যেমন হাঁটা-চলা ইত্যাদি। আর অটোমেটিক হচ্ছে ইমারজেন্সি কাজ। তবে এরমধ্যেও ভাগ আছে। একটি হলো সিমোপেটিক ও অন্যটি প্যারাসিমোপেটিক। এর দুটোই অটো কাজ করে। তবে ভালোবাসা কিংবা আনন্দের সব ঘটনাই ঘটে প্যারাসিমোপেটিক থেকে। ঘুম, সেক্স, খেলাধুলা -মানে যাবতীয় আনন্দের ঘটনা এর মাধ্যমেই হয়। কাউকে দেখলাম ভালো লাগলো, সেও তাকাল বুকে ধড়ফড় শুরু হলো এবং আবার তাকে দেখার জন্য অপেক্ষা - এমন ঘটনার জন্য সেই ডপামিন দায়ী। যা এই প্যারাসিমোপেটিকে অবস্থিত।

এখন এখানে একটা বিষয়ে বলা প্রয়োজন- প্রেমের যে ফিলিংস তা দেখা যায় একজন মানুষের প্রতিই হয়ে থাকে। তাকে নিয়েই সব কল্পনা এবং ভালো লাগা। কথা হচ্ছে এক জেন্ডার আরেক জেন্ডার-এর প্রতি আকর্ষণ হবে এবং যে কেউ যে কারো প্রতি ভালোবাসার সম্পর্ক হয় না কেন? এটা এখন পর্যন্ত কেউ আবিষ্কার করতে পারেনি। কোনো বিজ্ঞান এই প্রশ্নের উত্তর দিতে সক্ষম হয়নি।

প্রশ্ন : প্রেম হলো আবার সে প্রেম ভেঙ্গেও গেল। অনেকে পারে তা মেনে নিতে আবার অনেকে তা পারে না। এই ক্ষেত্রে আপনি কি বলবেন-

উত্তর : মানসিক চাপ মোকাবিলা করতে গিয়ে বিভিন্ন ধরনের কোপিং স্ট্র্যাটেজি বা মানিয়ে নেওয়ার পদ্ধতি মানুষ অবলম্বন করে থাকে, যার কোনোটা গ্রহণযোগ্য, আবার কোনোটা অগ্রহণযোগ্য। অগ্রহণযোগ্য কোপিংগুলোর মধ্যে নিজের শরীরের সরাসরি ক্ষতি করা বা করার প্রবণতা অন্যতম। অতিরিক্ত ওষুধ খাওয়া, হাত-পা কাটা, শরীরের কোনো অংশ পুড়িয়ে ফেলা এসবের মধ্যে পড়ে। বিজ্ঞানসম্মতভাবে যাকে বলা হয়, ‘ডেলিবারেট সেল্ফ হার্ম’ বা ‘প্যারাসুইসাইড’।
আমাদের চারদিকের অনেক মানুষকেই আমরা জানি, যারা যখন-তখন হাত-পা কাটে, কথায় কথায় ঘুমের ওষুধ খায় কিংবা কখনো কখনো গায়ে আগুন পর্যন্ত ধরিয়ে দেয়। সত্যিকারের মৃত্যুচিন্তা বা আত্মহত্যার চিন্তা এখানে না থাকলেও কখনো এর পরিণতি মৃত্যু পর্যন্ত গড়াতে পারে।

কোনো একটি ঘটনা, পরিবেশ বা পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া হিসেবে মানুষ যে কাজটি কারে বা করতে অভ্যস্ত হয়, সেটাই আসলে কোপিং বা কোপিং স্ট্র্যাটেজি। অজান্তেই এই প্রতিক্রিয়াগুলোতে মানুষ অভ্যস্ত হয়ে যায়, যা সামাজিক, পারিবারিক, ধর্মীয় বা বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য দুই ধরনেরই হতে পারে। ধরুন, কেউ একজন পরীক্ষায় ফেল করল, তখন তার মন খারাপ হলো এবং ঠিক করল আমি আর লেখাপড়া করব না। এখানে লেখাপড়া না করার চিন্তাটি তাকে মন খারাপ হওয়ার বিষয়টি থেকে মুক্তি দিতে পারে। কিন্তু এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য প্রতিক্রিয়া নয়। আবার পাস করার আনন্দে যদি কেউ নেশাদ্রব্য গ্রহণ করতে চায়, সেটিও গ্রহণযোগ্য নয়। ডেলিবারেট সেল্ফ হার্মও একটি কোপিং স্ট্র্যাটেজি, যা নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে মানুষ করে থাকে। সাময়িক মুক্তি দেয় বলে অনেকে দাবি করলেও বাস্তবে তার ফল হয় উল্টো এবং অবশ্যই এটি একটি অগ্রহণযোগ্য কোপিং স্ট্র্যাটেজি।

প্রশ্ন : কারা ডেলিবারেট সেল্ফ হার্ম করে?

উত্তর : অপেক্ষাকৃত কম বয়সীদের মধ্যে এ প্রতিক্রিয়া বেশি দেখা যায়। ১৫ থেকে ২৫ বছর পর্যন্ত বয়সীদের মধ্যে বেশি থাকে এবং ৩০ বছরের পর থেকে ধীরে ধীরে এ প্রবণতা কমে আসে। তবে কারো কারো মধ্যে সব সময়ই এ প্রবণতা থাকতে পারে। একটি তথ্য এখানে গুরুত্বপূর্ণ, ৯০ শতাংশের মধ্যেই কোনো না কোনো মানসিক সমস্যা থাকে। আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘটনার আগের ছয় মাস অন্তত চারগুণ বেশি মানসিক চাপের মধ্যে থাকে তারা। যেসব পরিবারে সঠিক দিকনির্দেশনা ও সঠিক মূল্যবোধের শিক্ষা কম, সেখানেই এসব বেশি হয়।

প্রশ্ন : কেন করে?

উত্তর : কেউ কেউ মরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় অন্যের মনোযোগ আকর্ষণই এর বড় কারণ। অপছন্দনীয় পরিস্থিতি থেকে মুক্তি কিংবা অন্যকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যেও অনেকে এ কাজ করে থাকে। আবার এর মাধ্যমে সাময়িক যন্ত্রণামুক্তির দাবিও করে কেউ কেউ।

প্রশ্ন : এর চিকিৎসা নিয়ে বলুন-

উত্তর : বখে যাওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকম নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এ সমস্যাকে দিন দিন আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা এদেরকে ভুল বুঝি। কিন্তু বিশেষ করে অভিভাবকদের এর পেছনের কারণ খুঁজে দেখতে হবে। নির্দিষ্ট মানসিক রোগের চিকিৎসা প্রয়োজন। অসহনীয় বা অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলার বিষয়টি অনেক ক্ষেত্রে নির্ভর করে তার নিজস্ব শিক্ষার ওপর। পরিবার, পরিবেশ বা সমাজ এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দুর্বল মানসিকতা বা অগ্রহণীয় কোপিংকে গ্রহণীয়তে রূপান্তর করাও চিকিৎসার অংশ। সর্বোপরি বিষয়টিকে হালকাভাবে না দেখে যথাযথ গুরুত্ব প্রদান ও সময়মতো সঠিক চিকিৎসা অত্যন্ত জরুরি।

Source: sharshongbad
Read More

Logitech Wireless Touch Pad Keyboard K400

Touch Pad Keyboard K400
Logitech K400 is an only Keyboard in the world with 3 years replacement warranty which is also used in a Smart TV having wireless touch facilities.  It has a 3.5-inch Large, built-in touchpad in addition with this unique keyboard.   Two large mouse buttons sit below the touchpad. Their size makes them easy to find and activate, which is useful when using the device in a dark room.  It contains Media hot keys providing to operate multimedia drive from a single key. This hi-tech gadgets has brought to by Computer Source, a leading ICT product and service provider. This keyboard can execute frequent command of the user within 10-meter (33 feet) wireless range. It is also equipped with a Plug-and-play simplicity facility, a Logitech Unifying receiver and an advanced 2.4 GHz wireless system.   The keys are held up by rubber domes, which results in a spongy, vague experience. A compact layout makes matters even better by miniaturizing numerous keys and providing little space between them. The small keys are all located in the proper position and require little force to activate, making them easy to use while relaxing. Logitech also cleverly raised the top row of function keys, which provides a frame of reference for the user and makes them more accessible. That’s important because the function keys, among other things, can stop, play or adjust volume.  Its battery life cycle is 12 months.

Source:  beg24
Read More

জানা যাবে মৃত্যুর সম্ভাব্য সময়

You can know the time of death

আপনি কবে মারা যাবেন জানতে চান? ভাবছেন কী করে তা সম্ভব? বিজ্ঞানের বদৌলতে এই অসম্ভব কাজটি এখন সম্ভব হতে চলেছে। সম্প্রতি ফিনল্যান্ড এবং এস্তোনিয়ার যৌথ গবেষক দল জানিয়েছেন, রক্তের চার ধরনের পরীক্ষা করে তার ফলাফল থেকে জানা যাবে মৃত্যুর সম্ভাব্য সময়! শুধু মৃত্যুর ভবিষ্যদ্বাণী নয়, এই রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে যেকোনো সংকটজনক রোগীকে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। গবেষক দল পাঁচ বছরে প্রায় বিশ হাজার মানুষের ওপর পরীক্ষা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন। গবেষণাপত্রটি 'পস ওয়ান' নামের একটি জনপ্রিয় বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণার শুরুতে মোট ১৯ হাজার ৭২৮ জন পুরুষ এবং নারীর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এস্তোনিয়ার গবেষকরা মোট ৯ হাজার ৪৮২ জন নাগরিকের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেন। যাদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল তাদের বয়স ছিল ১৮ থেকে ১০১ বছর পর্যন্ত। রক্তের নমুনা সংগ্রহের পর তার ওপর নানা রকমের রাসায়নিক প্রয়োগে মোট ১০৬ ধরনের "বায়োমার্কার" বা উপসর্গের উপস্থিতি নথিভুক্ত করা হয়। পরের পাঁচ বছরে নথিভুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৫০৮ জন মারা যান। একইভাবে ফিনল্যান্ডের ৭ হাজার ৫০৮ জনের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এবারও একই পরীক্ষা চালিয়ে ১০৬ ধরনের "বায়োমার্কার" চিহ্নিত করা হয়। পাঁচ বছরের মধ্যে মৃত্যু ঘটে ১৭৬ জনের। রাসায়নিকগুলো শরীরে থাকলে একজন মানুষের মৃত্যুর সম্ভাবনা কতটুকু সেটাই বিশেষ ফর্মুলার সাহায্যে হিসাব করে বের করেন বিজ্ঞানীর দল। পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই একজনের মৃত্যু কতটা কাছে বা তার বিপদ কতটুকু তা নির্ণয় করতে সক্ষম হয়েছেন গবেষকরা। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে এই পরীক্ষার সাহায্যে রোগীদের মৃত্যু কিছুদিনের জন্য ঠেকিয়ে রাখতেও সক্ষম হয়েছেন চিকিত্‍সকরা।

Source: sharshongbad
Read More

Corning’s Gorilla Glass Kills Germs

Corning’s Gorilla Glass Kills Germs

During CES 2014 US firm Corning announced that its Antimicrobial Gorilla Glass is now ready for orders. This special touchscreen glass contains ionic silver, a substance which has been known to fight germs for over 100 years.
Corning said that the glass can combat bacteria and fungi, with the protection lasting for the lifetime of the device that it is built in to.
Although some investors have voiced concerns about Corning’s competitior, GT Advanced Technologies, Corning itself has faith in the product.
“This innovation combines best-in-class antimicrobial function without compromising Gorilla Glass properties,” said the firm’s senior vice president James Steiner.
It’s Only Your Germs
Professor Charles Gerba, a microbiologist at the University of Arizona, doesn’t think germs on your devices are a problem. “Touchscreens are a source of a wide range of microbes, but not much of an issue if you do not share it among other people – since, if you are the only one using it, it’s only your germs, he said.
Yet despite that opinion, a components expert from Techanalysis Research consultancy thinks there is a gap in the market for this type of product.
“This gives Corning an edge, even if it’s a bit of an odd edge,” said Bob O’Donnell. “There are clearly folks in the world who are very concerned about germs and carry antibacterial hand gel in their pockets. If vendors opt to pay extra for this glass I’m sure they will talk about its abilities. But it’s likely to be only a small niche of people for whom this would be the deciding factor when choosing between products,” he continued.
Currently Apple, Amazon LG, HTC and Samsung are among some of the companies using Corning’s products.
Corning has said that the new Gorilla Glass is ready for high-volume production and that several tech manufacturers are already testing it. 
Source: beg24
Read More

গুগলে চাকরি নিতে হলে যে পাঁচটি গুণ থাকতেই হবে

Google to take a job
টেক জায়ান্ট গুগল সম্প্রতি যেসব মানুষ তাদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ করছে, তাদের মধ্যে অনেকের কলেজেরই ভালো ডিগ্রি নেই। কিন্তু তাদের রয়েছে নির্দিষ্ট কিছু দক্ষতা ও গুণাগুন। কয়েকটি ধাপে দীর্ঘ সময় নিয়ে এসব প্রার্থীদের বাছাই করে গুগল।
গুগলের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোন কোন বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হয়, তা গুগলের পিপল অপারেশন্স বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ল্যাজলো ব্লকের এক সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে জেনেছেন নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাংবাদিক অ্যাডাম ব্রায়ান্ট। এ বিষয় নিয়ে ফোর্বস-এর ব্লগে এক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

১. শেখার ক্ষমতা
কোনোকিছু শেখার দক্ষতা গুগলে নিয়োগ পেতে হলে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পরিষ্কারভাবে শেখার ক্ষমতা, নতুন বিষয় তুলে নেওয়ার দক্ষতা, দ্রুত শিখে নেওয়া, বিচ্ছিন্ন নানা বিষয় থেকে তথ্য সংগ্রহ করা ও পরবর্তী ধাপে তা নিয়ে যাওয়া ইত্যাদি এক্ষেত্রে অতি গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান দ্রুত পরিবর্তনশীল যুগে শেখার দক্ষতা অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নতুন বিষয় দ্রুত যারা শিখতে পারে তারা এখন সাফল্য লাভ করে। গুগল, লিংকডইন ও অ্যামাজনের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিনিয়ত নতুন নতুন ধারণা প্রচলন করে গর্ববোধ করে। এ পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য প্রত্যেক প্রতিষ্ঠানই চায় অনুসন্ধিৎসু তরুণদের। যারা ভুল করবে এবং সে ভুল থেকে শিক্ষা নেবে, যারা কোনোকিছু না বুঝলে প্রশ্ন করতে দ্বীধা করবে না এবং এসবের মাধ্যমে নতুন বিষয় শিখে সামনে এগিয়ে যাবে।
এ বিষয়ে ডাচ বিজনেস এক্সিকিউটিভ ও বিজনেস থিওরিস্ট আরি ডে জেউস বলেন, ‘আপনার প্রতিযোগীদের তুলনায় দ্রুত শিখে নেওয়ার ক্ষমতা হতে পারে প্রতিযোগিতায় একমাত্র টেকসই সুবিধা।’
এ বিষয়টি মেনে নিতে হবে এবং সবসময় শেখার চেষ্টা করতে হবে। এ বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিয়োগের সময় প্রার্থীর এ যোগ্যতাটি আছে কি না, তা দেখে নেয়।

২. নেতৃত্বের যোগ্যতা
গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিনিয়ত চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে থেকে নেতৃত্বের যোগ্যতাসম্পন্নদের আলাদা করার চেষ্টা করে। তারা চেষ্টা করে এমন প্রার্থী বের করার, যে অন্যদের গাইড ও অনুপ্রেরণাদাতা হিসেবে কাজ করে। এক্ষেত্রে তার জব টাইটেল বিবেচনা করা হয় না। আর অন্য কেউ নেতৃত্ব নিলে তাকে সে কাজ করতে সহায়তা করাও যোগ্যতার একটি অংশ।

৩. বিনয় ও ভদ্রতা
একই সময়ে আগ্রহ ও দায়িত্বের মাঝে ভারসাম্য রক্ষা করে বিনয়। আপনার কাছে আসা আনকোরা কোনো কর্মী আপনার চেয়েও ভালো কোনো আইডিয়া দিতে পারেন। এ ছাড়াও তিনি আপনার চেয়ে কোনো বিষয়ে ভালো জানতে পারেন। ফলে এ বিষয়ে ইগোর ভূমিকা একটু ভিন্ন হতে হবে। এক্ষেত্রে থাকতে হবে বড় ও ছোট ইগো। কারো এ গুণ থাকলে তা দ্রুত নিয়োগকারীর নজরে পড়ে।

৪. দায়ীত্ববোধ
গুগল চায় এমন মানুষ নিয়োগ করতে, যার দায়ীত্ববোধ রয়েছে। কোনো সমস্যা সমাধান করতে দায়িত্ব নিয়ে যে সামনে এগিয়ে যায় এবং নতুন বিষয় তৈরি করতে যে আগ্রহবোধ করে। কোনো কর্মীর যদি কাজের প্রতি আগ্রহ না থাকে তাহলে তা প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। কোনো প্রতিষ্ঠানে কীভাবে ভালো কাজ করা যায় সে বিষয়ে ক্রমাগত উৎসাহের সঙ্গে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া কর্মী চায় প্রতিষ্ঠানগুলো।

৫. দক্ষতা
নির্দিষ্ট কোনো টেকনিক্যাল কাজের জন্য নিয়োগ করা না হলে প্রার্থীদের প্রোগ্রামিং বা কোডিং করার দক্ষতা রয়েছে কি না, এ বিষয়টি গুগল নিশ্চিত করে নেয়। এটি তাদের তালিকার পাঁচ নম্বর গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর দক্ষতা বলতে সবসময় উন্নত কাজ করার চেষ্টাও বুঝায় তারা। মানুষ যখন কোনো বিষয়ে নিজেকে ‘দক্ষ’ বা ‘অনেক অভিজ্ঞ’ বলে দাবি করে তখন তারা নতুন বিষয় শিখতে চায় না। বিশেষ করে প্রশ্ন করা হলেও তারা তাদের নির্দিষ্ট দৃষ্টিভঙ্গীতে সবসময় আবদ্ধ থাকে এবং সেজন্য সবসময় শক্ত যুক্তি দাঁড় করায়। যদিও প্রতিষ্ঠানগুলো এ ধরনের মানুষের চেয়ে সবসময় ভালো কোনো সমাধানের খোঁজে থাকা কর্মীদেরই সন্ধান করে।

Source:sharshongbad
Read More

Payoneer's Offer!



Designed By Seo Blogger Templates