Sponsored AD

Wednesday, April 23, 2014

Expectant Parents Asked the Internet to Name Their Child. And the Winning Name Is…

Expectant Parents Asked the Internet to Name Their Child

In January of this year, an expectant father named Stephen started the website NameMyDaughter.com, where anyone on the Internet could suggest and vote on potential names for Stephen’s forthcoming baby girl.

Well, as noted by the folks at Betabeat, Stephen’s wife gave birth on April 7. And the winning name is — drumroll, please! — Amelia Savannah Joy McLaughlin.

Kind of sweet, right? Or, sweeter than you might have expected from the feces-hurling cesspool that is the Internet?

Unfortunately for those looking to have their faith in humanity restored, “Amelia Savannah Joy” did not technically win the vote. The real first-place name was “Cthulhu All-Spark.” (“Cthulhu” won the vote for first name, and “All-Spark” won the vote for middle name.)

The parents, who live in British Columbia, Canada, rejected that one in favor of the second-place name, Amelia. Though they did have a good sense of humor about the results:

“All bow down to the great and powerful Cthulhu,” mom Kathryn posted to Facebook after the birth, according to Canada’s Global News, along with a photo of the newborn.

“All bow down to the great and powerful Cthulhu!” (Global News)

Stephen revealed in an Ask Me Anything questionnaire on the site reddit that he was forced to delete “several STIs and a couple of sexual positions” from initial submissions. And, if you’re wondering, he also explained the inspiration for the project at length, as well as how his wife reacted to the idea:

“I was sitting on the end of the bed after coming home from work and the idea hit me. I tend to be very forward person (this gets me in a lot of trouble lol) and I just blurted it out — ‘Hunny, I am going to ask the internet what we should name our daughter!’

“She was supportive right from the start. I think at first she didn’t think I was actually going to do it. But once the domain was registered she knew it was real.

“Hell when I saw that namemydaughter.com was available I just knew that was the sign that I HAD to do it.”

When a reporter asked explorer George Mallory in 1924 why he wanted to climb Mount Everest, he famously responded, “Because it’s there” — the same reason why a man would open up naming rights for his daughter to the World Wide Web.

Let’s all just be thankful that Stephen and Kathryn chose responsible parenting over contest integrity. Congratulations to the new parents, and also to the newborn, for not being named “Chalupa Batman.”


Source: yahoo
Read More

ধর্ম বেঁচে জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছে হিন্দী সিনেমা!

Religion Hindi movies
বিশ্বের নানান প্রান্তের কোটি কোটি দর্শক বলিউডের হিন্দী সিনেমার পাঁড় ভক্ত। এশিয়া ও আফ্রিকার বাজার ছাড়িয়ে ইউরোপ-আমেরিকায়ও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে হিন্দী সিনেমা। অবশ্য ইউরোপ-আমেরিকার দর্শকদের মন জয় করতে বিশেষ অভিযানই চালিয়েছে বলিউডের পরিচালকরা। বিশেষত ইউরোপের নারীদের প্রেমের প্রতি ভালবাসাকে পুঁজি করেছে তারা। একই সাথে ভারতের অপরাধ জগতের জমজমাট ছবি, ছন্দবদ্ধ গান ও নৃ্ত্যও হিন্দী সিনেমার জনপ্রিয়তায় বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

তবে বলিউডের সিনেমা পরিচালক ও প্রয়োজকরা কেবল জনপ্রিয়তা লাভের এই দিকটিতেই আঁকড়ে ধরে থাকেননি, সিনেমায় তুলে এনেছেন হিন্দু-মুসলমানদের দ্বন্দ্বের বিষয়। এছাড়া প্রতিবেশি ও সদাবিরোধাত্মক পাকিস্তান ও ভারতের দ্বন্দ্বের বিষয়টিকেও সিনেমায় ঠাঁই দিয়েছে বলিউড। উদাহরণ হিসেবে আনা যায়, ভারতের বাণিজ্যিক সিনেমার জগতে অন্যতম ব্লববাস্টার সিনেমা ‘ভীর জারা’কে। সিনেমাটিতে পরিচালক যশ চোপড়া হিন্দু-মুসলমানের প্রেম ও সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বকে তুলে এনেছেন তার সিনেমায়।

সামাজিক দ্বন্দ্বের দর্পণ চলচ্চিত্র:
বোসম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেমাটিক স্টাডিজের অধ্যাপক ভিনজেজ হেডিগারের মতে, সিনেমা বিনোদনের মাধ্যম হলেও বাস্তবে সামাজিক দ্বন্দ্বের প্রতিচ্ছবি। জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ও নাটক সামাজিক দ্বন্দ্ব প্রচারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম, কারণ চলচ্চিত্র বিশাল জনগণের কাছে পৌঁছাতে পারে ‍সহজে। আর জনপ্রিয় চলচ্চিত্র সবসময়ই সামাজিক দ্বন্দ্ব ও সংঘাতকেই তুলে ধরে। এক কথায় বলতে গেলে, সিনেমায় অবশ্যই বাস্তব জীবনে যা ঘটছে তা তুলে ধরতে হবে। এবং এক্ষেত্রে পরিচালক-প্রযোজকদের অবশ্যই সফল হতে হবে, কারণ এটির দৃশ্যায়ন খুবই কঠিন। আর এক্ষেত্রে বলিউড সামাজিক বিভিন্ন সমস্যাকে তুলে আনার ক্ষেত্রে বিশেষ পারদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে।

সিনেমা জগতে ধর্ম:
ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সমর্থকরা বলিউডের আমির খান অভিনীত ‘ফানা’ সিনেমাটি বয়কটের ডাক দিয়েছে। ভারতের চলচ্চিত্র জগতে হিন্দু-মুসলমানরা একত্রে কাজ করে। কিন্তু ধর্মের বহুত্ববাদ এখানে শেষ হয়ে যায়নি। এই ক্ষেত্রটিতে ধর্মীয় বিভিন্ন গোষ্ঠীও সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। বলা যায়, ভারতের সামাজিক ব্যবস্থার বাস্তব উদাহরণ হলো বলিউড। বলিউডের ধার্মিক অবস্থান সম্পর্কে ভিনজেজ হেডিগারের বলেন, আপনি যদি ভারতের সিনেমা সংক্রান্ত কোন ব্লগ ও ফ্যান পেজের দিকে নজর রাখেন, তবে দেখতে পাবেন, দর্শকরা সুপারস্টার ঋতিক রোশনের মুসলিম নারী বিবাহ নিয়ে খুবই সতর্ক।

বয়কট সংস্কৃতি:
বলিউডের ধর্মীয় অবস্থান, এতদিন ইতিবাচক হিসেবে থাকলেও এখন নেতিবাচক আকার ধারণ করছে। মৌলবাদী হিন্দু রাজনৈতিক দল বিজেপির সমর্থকরা আমির খানের ফানা সিনেমাটি বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বয়কটের কারণ, সিনেমায় গুজরাটে বাধ নির্মাণের কারণে উচ্ছেদ হওয়া ও ক্ষতিগ্রস্থদের পক্ষে কথা বলেছেন আমির। এই ক্ষতিগ্রস্থদের ধর্মীয় পরিচয় মুসলমান আর গুজরাটের মূখ্যমন্ত্রী বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদী। আমিরের এমন অভিনয় নিয়ে নিজের ব্লগে লেখেন তথ্যচিত্র নির্মাতা রাকেশ শর্মা। যিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের ব্রাক্ষ্ম সমাজের প্রতিনিধি। তিনি হিন্দু ধর্মীয় মৌলবাদীতার চরম বিরোধী। তবে ভারতীয় সিনেমা পাগল জনতার আমিরের চলচ্চিত্র বয়কট করায় খুব বেশি অবাক হননি শর্মা। শর্মার তথ্যচিত্রও এমন বয়কটের শিকার হয়েছে।

নিজের ব্লগে আমির খানকে পরামর্শও দিয়েছেন শর্মা। তিনি আমিরকে বয়কটের দুনিয়ায় স্বাগত জানান। বিজেপি ও কংগ্রেসের সমর্থকরা আমিরের পোস্টার পোড়ালেও তাদের এমন আচরণে কোন ধরণের অবাক না হওয়ার জন্য আমিরের প্রতি আহবান জানান তিনি। তিনি আমিরকে বলেন, তুমি কেন সরি বলছো না, তারকা কেবল সরি বললেই সবকিছুর ক্ষমা পেয়ে যায়। নীরবতার শক্তি সম্পর্কে জানতে শেখো। এছাড়া তারকাদের কোন ধরণের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে না জড়াতে বললেও সিনেমা নির্মাণের ক্ষেত্রে দ্বন্দ্বকেই প্রাধাণ্য দেওয়ার পরামর্শ দেন। কারণ, গুজরাটে বয়কটের শিকার হওয়ার ভারতের বাকী সকল রাজ্যে বক্স অফিসে তোড়পাড় তোলে ফানা। একইভাবে ভীর জারা সিনেমার কাহিনীর কারণেও এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

Source: sharshongbad 
Read More

Lexus' New Crossover Reveals The Company's Big Ambitions

Lexus' New Crossover Reveals The Company's Big Ambitions

This month, Lexus revealed the NX, an all-new model that encapsulates three of the brand's most important efforts to remain a big player in the increasingly competitive luxury market.

The NX is the brand's first entry into the red-hot small crossover segment. It's the first Lexus with a turbocharged engine, and the latest step in a years-long effort to make cars that appeal to drivers' sense of style.
Jumping Into A Red-Hot Segment

The SUV and crossover market is "bread and butter to us," Lexus Corporate Manger Brian Bolain told Business Insider at the New York Auto Show last week. But the cars have been mostly popular among Americans.

"For such a long time, it was a specifically U.S. phenomenon," Bolain said. Now, "there's just suddenly an immense desire for small crossovers." This "is probably the first time I remember seeing one segment on fire globally, at an equal pace ... across Europe, across Asia, across North America."

So it's no surprise the competition will be fierce. By Jalopnik's count, 20 crossover models and concept debuted at the Beijing Auto Show this week. A bunch more had their coming out parties at the New York show.
More Power, Less Fuel

The all-new NX is not only the first small crossover from Lexus, it's the first time the brand has offered a turbocharged engine. Turbos have picked up in popularity in recent years thanks to their ability to deliver more power along with improved fuel efficiency.

The NX will also come as a hybrid. (A model with a naturally aspirated 2.o-liter engine will be available in China and Russia.) Among the luxury brands, Lexus has been particularly successful in the hybrid market, selling more than half a million units to date. That's where its focus will remain, according to Bolain. "There's no plan currently" to start making electric or diesel-powered cars," he said. "We're still really reliant on hybrid."

Sexier Design

For the past two years, since the introduction of the fourth generation GS sedan, Lexus has been making a special effort to build cars with a real sense of style. No more slab-sided cars — Lexus wants to present a "more youthful, certainly more contemporary, more innovative" image, Bolain said.

Customers interviewed before the launch of the NX "wanted to focus on how they look in it," Bolain said — so style is key. Not everyone will like the look of the little crossover, but it definitely has character.

The NX will go on sale in the second half of 2014. Pricing hasn't been announced, but expect it to be below the $39,760 MSRP for the bigger Lexus RX.

Source: yahoo
Read More

Tuesday, April 22, 2014

সাভারে অটোবির কারখানায় আগুন

fire in savar otobi factory

রাজধানীর অদূরে সাভারের বিরুলিয়ায় ভয়াবহ আগুনে অটবির ফার্নিচার কারখানাটি সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। এতে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি কতৃপক্ষের।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বিরুলিয়ার খাগান এলাকায় ওই কারখানায় আগুন লাগে বলে ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা মো. আলী  জানান। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট কাজ করে।

রাত ২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে জানা যায় , ৩০ বিঘা জমিতে দেয়ালের উপর টিনের ছাউনি দিয়ে গড়ে তোলা অটবির পুরো কারখানায় আগুন জ্বলছে।

ওই কারখানার অভ্যর্থনা কর্মী সৈয়দ আসাদুজ্জামান বলেন, কারখানার লেকার সেকশনে (কাঠ রং করার স্থান) প্রথমে আগুন লাগে। এ সময় কারখানায় প্রায় দুইশ’ মানুষ কাজ করছিলেন। আগুনের খবর শুনে সবাই দৌড়ে বেরিয়ে আসে।

এ সময় কয়েকজন আগুনে সামান্য দগ্ধ হয়েছেন বলে জানান তিনি।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক মেজর একেএম শাকিল নেওয়াজ বলেন, কারখানার ভিতরে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। রাসায়নিকভর্তি ড্রাম মাঝে মাঝেই বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হচ্ছে।

কারখানার ভিতরে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপন ব্যবস্থা ছিল না বলে জানান তিনি।

ফায়ার ব্রিগেডের এই কর্মকর্তা বলেন, কারখানার ভিতরে পানি পাওয়া না যাওয়ায় বাইরে থেকে পানি নিয়ে আগুন নেভাতে তাদের বেগ পেতে হয়।

অটবির প্রধান উৎপাদন কর্মকর্তা ফারুক ইবনে রায়হান বলেন, কারখানার ভিতরে থাকা অনেক দামি যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ও ফার্নিচার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

“যেসব ফার্নিচার পুরোপুরি তৈরি হয়ে গিয়েছিল সেগুলোরই দাম প্রায় ৫০ কোটি টাকা।”

হিসাব করা ছাড়া পুরো ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বলা যাবে বলে জানান তিনি।

এটাই অটবির সবচেয়ে বড় কারখানা জানিয়ে তিনি বলেন, “এখান থেকেই দেশ-বিদেশে অটবির সব কাঠের ফার্নিচার সরবরাহ করা হতো।”

Source: Alokitobangladesh


Read More

Sunday, April 20, 2014

Riddell's New Football Helmet Is Designed to Reduce Concussions

Riddell's New Football Helmet

Head injuries are a hot-button issue in football. A number of products, like the Reebok CheckLight and Riddell's Insite Impact Response System, help identify and rate the severity of concussive hits. Start-up company Unequal makes a military-grade composite padding that disperses impact forces. Now football helmet market leader Riddell has come out with the SpeedFlex.

The SpeedFlex is similar to the helmet players wore last season, with one major difference. It features a large, compressible cutout panel in the crown, part of the Flex System, which is designed to reduce impact force transfer to the wearer. The panel can depress up to a quarter of an inch, according to an ESPN interview with Thad Ide, Riddell’s senior vice president for research and development.

The new helmet also features a composite energy management system designed to absorb impact energy and a new ratchet-style retention system, replacing the snap-in system previously included in football helmets.

“Veteran NFL players were surprised that their chin-strap snaps weren't all that different from the ones they were issued in fifth grade,” Ide told ESPN.  “So we took that to heart and tried to come up with something better."

This article originally appeared on STACK.com: Riddell's New Football Helmet Is Designed to Reduce Concussions

Source:yahoo
Read More

বন্ধুর অবস্থান জানাবে ফেইসবুক

Friend whereabouts Facebook
নিয়ারবাই ফ্রেন্ডস' নামে নতুন সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে ফেইসবুক। এর মাধ্যমে ফেইসবুকের বন্ধুদের মধ্যে কারা আশপাশে রয়েছে, জানা যাবে। প্রয়োজনে কাছাকাছি থাকা বন্ধুরা মিলে আড্ডাও দেওয়া যাবে। ফেইসবুকের আইওএস এবং অ্যানড্রয়েড অ্যাপসে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে এ সুবিধা পেতে 'নেয়ারবাই ফ্রেন্ডস' অপশনটি চালু করতে হবে। চাইলে ফেইসবুক অ্যাপের সেটিংস পরিবর্তন করে অবস্থানের তথ্য গোপনও রাখা যাবে।
Source: sharshongbad

Read More

'Borderlands' Fans Go to the Moon in Upcoming 'Pre-Sequel'

Upcoming 'Pre-Sequel

Insatiable Borderlands fans will have a full new game to chew through later this year, as Gearbox and 2K Australia are releasing Borderlands: The Pre-Sequel before the the end of the year.

Borderlands: The Pre-Sequel comes two years after the release of Borderlands 2, which Gearbox CEO Randy Pitchford said was one of 2K's best-selling games ever, with 8.5 million copies sold.

"We still haven't met fans demands for content," Pitchford told Mashable during a reveal of the game. Borderlands 2 had eight different downloadable content packs after its release, each spanning several additional hours of gameplay.

This "pre-sequel" — or as Pitchford joked, "Borderlands 1.5" — takes place between the first and second Borderlands games. Players control four new characters and work with not-yet-villain Handsome Jack, long before he becomes a megalomaniacal force in Borderlands 2.

"We wanted to make Jack more of a sympathetic character," said Gearbox writer Anthony Burch, who added it will be interesting for fans to contrast the Handsome Jack from both these games to the unannounced villain in the Borderlands: The Pre-Sequel. "You might end up rooting for her."

The four playable characters will all be somewhat familiar to die-hard series fans, as they all made appearances in Borderlands 2. They include Athena, an Atlus Assassin and former member of the Crimson Lance; Wilhelm, a man turned cyborg that was actually seen as a boss in Borderlands 2; Nisha the Lawbreaker; and an upgraded version of sassy, foul-mouthed, fan-favorite robot Claptrap.

The stats, skills and feel of the game will all be familiar to players, as The Pre-Sequel uses the Borderlands 2 engine. The game has been in development for over a year by 2K Australia; the studio took on the project just after finishing BioShock Infinite.

But the old dog has some new tricks. 2K Australia's team has worked to add some mechanics to the shooter, some of which were on display during a demo that took us into Hyperion's infamous moon base. Characters now have oxygen tanks that let them bounce around in low gravity, crossing large chasms and more quickly dodging foes. There's even a way to shoot up and "ground pound" on your enemies from above, using your weight to do damage.

The Gearbox and 2K teams stressed that Borderlands: The Pre-Sequel was only going to appear on current-generation platforms where the audience was already established, meaning PC, Xbox 360 and PlayStation 3. The game has no firm release date.


Source: mashable
Read More

মেঘ থেকে বৃষ্টি নামাবে লেজার রশ্মি!

Laser Beam bringing it down from the rain cloud

বিজ্ঞানীরা এবার জোরালো ভাবে মনে করছেন যে লেসারের মাধ্যমে মেঘ থেকে বৃষ্টি ও বজ্রপাত ঘটানো সম্ভব হবে। সেন্ট্রাল ফোরিডা কলেজ অব অপটিকস এন্ড ফটোনিকস এবং ইউনিভার্সিটি অব এরিজোনা এর বিজ্ঞানীরা উচ্চ-শক্তির লেজার রশ্মিকে কোন মেঘের মধ্যে নিক্ষেপ করে বৃষ্টিপাত ও বজ্রপাত ঘটানোর লক্ষ্যে নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের বিষয়ে কাজ করছে।

বিজ্ঞানীদের প্রস্তাবনা হচ্ছে কোন একটি লেজার রশ্মিকে দ্বিতীয় একটি রশ্মির দিয়ে ঘিরে রেখে বা ‘ড্রেসিং’ করার মাধ্য শক্তির আঁধার (এনার্জি রিজারভার) হিসাবে কাজ করিয়ে মাঝের লেজার রশ্মিকে আগের চেয়ে আরও অধিক দূরত্বে নিক্ষেপ করা সম্ভব হবে। সেকেন্ডারী ‘ড্রেস’ রশ্মি প্রাথমিক রশ্মিকে রিফুয়েল করবে এবং অধিক তীব্রতায় নির্গত হওয়া থেকে বাধা দেবে যাতে এটি দ্রুত ভেঙে না যায়। এটাকে বলা হচ্ছে ‘এক্সটার্নালি রিফুয়েলড অপটিক্যাল ফিলামেনন্টস’ যে বিষয়ে গবেষণা তথ্য সম্প্রতি নেচার ফোটনিকস এ প্রকাশিত হয়েছে।

মেঘের মধ্যে পানির কনডেনসেশন এবং বজ্রপাত জনিত ঘটনা বিপুল পরিমাণে স্থির জড়তা সম্পন্ন চার্জড পার্টিকেলের সাথে সম্পর্কিত। সঠিক মাত্রার লেজার রশ্মি দিয়ে এই সকল চার্জড পার্টিকেলকে আলোড়িত করা গেলে নিকট ভবিষ্যতে একদিন অবশ্যই বিজ্ঞানীরা মেঘ থেকে প্রয়োজনীয় স্থানে ইচ্ছেমত বৃষ্টি ঝরাতে সক্ষম হবে এবং মেঘ আর লেজারের উপর নতুন দিনের প্রযুক্তি অবশ্যই খরা এলাকায় পানির সমস্যা সমাধান করার সুযোগ এনে দেবে।

দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে আবহাওয়া জনিত সমস্যা সবার মুখে মুখে থাকলেও আবহাওয়াকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে তেমন মাথা ব্যথা নেই। মেঘ থেকে বৃষ্টি নামানোর এই প্রচেষ্টা তাই এক যুগান্তকারী উদ্যেগ নিঃসন্দেহে।

লেজার রশ্মিকে ইতোমধ্যেই অনেক দূরত্বে নিক্ষেপ করা সম্ভব হলেও সেন্টার ফর রিসার্চ এন্ড এডুকেশন ইন অপটিকস এন্ড লেজার এর একজন শিক্ষানবিশ ম্যাথিউ মিলস জানান , ‘যখন কোন লেজার রশ্মিও তীব্রতা অনেক বেশি করা হয় সে তখন আর স্বাভাবিক আচরণ করে না- এটি এর নিজের মধ্যে ধ্বংস হয়ে যায়। এই ধ্বংস হয়ে পড়ার সময় এর তীব্রতা এত বেশি মাত্রায় পরিণত হয় যে বাতাসের অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেনের ইলেকট্রন গুলো ছড়িয়ে পড়ে এবং একটি প্লাসমা তৈরী যা সাধারণত ইলেকট্রনের এক স্যুপ।’

এই প্লাসমা তখন চেষ্টা করে লেজার রশ্মিকে উল্টো দিকে ধাবিত করতে যা একটি আল্ট্রা শর্ট লেজার পালসকে ছড়িয়ে পড়বার এবং ধ্বংস হবার মধ্যকার ঘটনায় এক ধরনের যুদ্ধে লিপ্ত করে দেয়। এই যুদ্ধ বা রিঅ্যাকশনকে বলা হয় ‘ফিলামেন্টেশন’। এটা একটি ফিলামেন্ট বা ‘আলোর ষ্ট্রিং’ তৈরী করে যা বাতাসের বিভিন্ন উপাদানের দ্বারা ছড়িয়ে পড়ে নষ্ট হবার আগে অল্প সময়ের জন্য এগিয়ে চলে। যেহেতু একটি ফিলামেন্ট তার চলার পথে আলোড়িত ইলেকট্রন সৃষ্টি করে সে কারণে এটা বৃষ্টি ও বজ্রপাত ঘটানোর প্রয়োজনীয় অবস্থার উদ্ভব ঘটাতে পারে।

এই প্রযুক্তির বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা আছে দেখেই আরও অনেক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ধারণা সম্পন্ন বিজ্ঞানীদের এই গবেষণায় এগিয়ে এসে কাজ করা উচিৎ বলে এই গবেষনায় যুক্ত বিজ্ঞানীরা মনে করেন।

বর্তমানে যুক্ত বিজ্ঞানীরা এই মুহূর্তে অবশ্য কেবল ভাবছেন কিভাবে লেজার রশ্মিকে বজ্রপাতের আঘাত হতে এড়িয়ে মেঘের কাছাকাছি নেয়া যায়।

মিলসের মতে, এই কাজে একটি অসম দীর্ঘ ‘ফিলামেন্ট এক্সটেনসন কেবল’ প্রয়োজন । যদি একটি দীর্ঘ, কম তীব্রতার ডফনাট (গোলাকার কেক মাঝে ফাঁকা) এর মত ‘ড্রেস’ রশ্মি এই ফিলামেন্টকে ঘিরে রাখে এবং ধীরেধীরে একে সামনে এগিয়ে নেয়া হয় তবেই সেই অসম দীর্ঘ এক্সটেনসন প্রস্তুত সম্ভব।

সৌভাগ্যৗজনকভাবে, বিজ্ঞানীরা আবিষ্কৃত পদ্ধতিতেই ফিলামেন্টের দৈর্ঘ্য নিয়ন্ত্রন করতে সক্ষম। তার মানেই হচ্ছে বহদূর থেকেই বৃষ্টি পাত ঘটানোর মত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাকে তরান্বিত করা সম্ভব। এই ধারণা থেকে তাই আসলে বৃষ্টি এবং বজ্রকে কৃত্রিমভাবে নিয়ন্ত্রন করার সম্ভাব্যতা বাস্তবতার মুখ দেখবে বলে বিশ্বাস করা যায়।

উল্লেখ্য যে অদ্যবধি মিলস এবং তার সহকর্মী আলি মিরি ফিলামেন্টের পালস কে ১০ ইঞ্চি হতে ৭ ফুট পর্যন্ত এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে। এবং তারা ফিলামেন্টকে আরও দূরে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে।

আর যদি মেঘ থেকে বৃষ্টি নামানো সম্ভব নাও হয় তবে এই গবেষনা আরও অনেক কাজে লাগানো যাবে, উদাহরণ সরূপ-কেমিক্যাল সংগঠন নির্ণয়ে লম্বা দূরত্বের সেনসর বা স্পেক্টোমিটারে একে ব্যবহার করা যাবে।

Source: sharshongbad
Read More

NASA spacecraft slams into dark side of the moon as planned

NASA

At roughly 12:30AM ET early on Friday morning, a soda machine-sized NASA spacecraft slammed into the far side of the moon at 3,600 miles per hour. The impact was entirely planned by NASA engineers in order to conclude the Lunar Atmosphere and Dust Environment Explorer (LADEE) program, which launched late last year. After studying the composition of the lunar atmosphere for months, the spacecraft didn't have the fuel to continue flight and engineers decided it was best to place it down on the far side of the moon, out of sight and far from previous historic landing sites.
During six months of research, the spacecraft discovered trace amounts of water in the atmosphere, but it wasn't able to accomplish its primary goal. NASA hoped to explain reports from Apollo astronauts of an aurora borealis-like glow on the horizon just before sunrise. Scientists hypothesized that dust particles in the thin lunar atmosphere accounted for the reports, but the spacecraft was unable to confirm that was the case. Nevertheless, NASA says the $280 million mission was a success.

Source: yahoo
Read More

ক্র্যাশ ডায়েটের ৭টি ভয়াল পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া!

7 side effects of the disastrous crash diet
সব কিছুরই ভালো-মন্দ দুটো দিক আছে। ক্র্যাশ ডায়েটেরও তাই। তবে এটি কিন্তু ভালোর চাইতে মন্দটাই করে বেশি। আর তাই ক্রাশ ডায়েটিং করার আগে জেনে নিন এর নেতিবাচক দিকগুলো!

আজকাল সবাই যেন দ্রুত ওজন কমিয়ে সাইজ জিরো হওয়ার দৌড়ে সামিল। নিয়মিত এক্সারসাইজ করলেও কিন্তু ম্যাজিকের মত তাড়াতাড়ি ওজন কমনো সম্ভব নয়! কারণ ওজন কমানো একটি সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তাহলে উপায়? ক্র্যাশ ডায়েটিং!

পৃথিবী জুড়ে মেয়েদের কাছেও সৌন্দর্য বাড়াতে এর জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। ক্র্যাশ ডায়েটিং করে ওজন তো অনেকখানি কমিয়ে ফেললেন, সকলে বেশ বাহবা দিচ্ছে, কিন্তু জানেন কি এর মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো? একসাথে বেশ কয়েক কেজি কমানোর লোভে অনেকেই এই লোভের ফাঁদে পড়ে থাকেন। একবার ভেবেও দেখেন না যে ভয়ানক শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন তিনি। আসুন, জেনে নেই ক্র্যাশ ডায়েটের ৭টি মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে, যেগুলো আপনাকে ঠেলে দিতে পারে মৃত্যুর মুখে পর্যন্ত!


১)অকালে চেহারা বুড়ো হয়ে যাবে-
যে সৌন্দর্যের জন্য এতো সাধ্য-সাধনা সেটাই আগে নষ্ট হবে ক্র্যাশ ডায়েটিং-এর কল্যাণে। ভিটামিন ও মিনারেলসের অভাবে ত্বক হয়ে উঠবে নিষ্প্রাণ, টান টান ভাব হবে উধাও। চামড়া ঝুলে যাবে, বলিরেখা পড়বে আর আপনি অকালে বুড়িয়ে যাবেন৷

২)ডায়েট ছেড়ে দিলেই হু হু করে ওজন বাড়বে-
ক্রাশ ডায়েট করে কয়েক দিনেই আপনি স্লিম ও সুন্দর। কিন্তু যেই না আগের ডায়েটে ফিরবেন, সাথে সাথে ওজন বাড়তে শুরু করবে। শুধু তাই নয়, ওজন বাড়তে বাড়তে আপনার দশা হবে আগের থেকেও খারাপ! ভাবছেন কী করে হবে? এতদিন শরীর কে খাবার না দিয়ে রেখেছেন। তাই ডায়েট শেষ হওয়া মাত্র দ্বিগুণ পরিমাণে খাবার গ্রহণ করা শুরু করবে শরীর। যা পাবে সব জমিয়ে রাখবে। বলতে গেলে পানি খেলেও আপনি তখন মোটা হয়ে যাবেন!

৩)শুরু হবে বদহজমের সমস্যা-
শরীরের মেটাবলিজম সিস্টেম এত দারুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে যে হজম ক্ষমতাও কমে যায়। খাওয়ার পরিমাণ অতিরিক্ত পরিমাণে কমে যাওয়ায় যখনই আবার খেতে শুরু করবেন, সাথে সাথে শরীর বিদ্রোহ করবে। আর আপনি নিয়মিত বদহজমের সমস্যায় ভুগতে থাকবেন।

৪)শরীরে দেখা দেবে ভয়ানক গোলমাল-
নানা ধরনের খাবার শরীরে এনার্জির যোগায়। কঠিন ডায়েটে সেই শক্তির যোগান যখন হঠাত্‍ করে কমে যায় তখন শরীরে স্বাভাবিক ভাবেই এনার্জির ঘাটতি দেখা দেবে। ক্র্যাশ ডায়েটিং-এর সময় আগে জমে থাকা এনার্জি বা শক্তি আপনার শরীরকে চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটা করবে। এতে বেশি ক্যালোরি বার্ন হবে। তবে ব্যাপারটা সাময়িক। এক সময় জমানো শক্তি ফুরিয়ে গিয়ে ল্যাক অফ এনার্জির সমস্যা তৈরি করবে। এর ফলে শরীর নিস্তেজ। সব সময় ঝিমুনি ভাব থাকবে, কিংবা ভারী কাজ বা শরীরচর্চার সময় আচমকা অজ্ঞান হয়ে যাওয়াও কিছু বিচিত্র নয়।

৫)মেজাজ খারাপ হয়ে যায়-
ক্র্যাশ ডায়েটিং-এ প্রোটিন বা কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার যেহেতু প্রায় থাকেই না, তাই শরীরে সেরোটোনিন এবং ডোপামিন নিঃসরণ কমে যায়। এবং ঘন ঘন মুড বদলে যায়। এই ভালো তো এই বদমেজাজ। সারাক্ষণ খিটখিটে লাগে। এই দুই ধরনের নিউরোট্রান্সমিটার কম নিঃসৃত হওয়ায় ডিপ্রেসন বা অবসাদে আক্রান্ত হওয়াও আশ্চর্যের কিছু নয়।

৬) হুট করেই হতে পারে নানান রকম হৃৎপিণ্ডজনিত সমস্যা-
শরীরে অবশ্যই দেখা দেবে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ঘাটতি। যেগুলো পেশী ও স্নায়ুতন্ত্রের কাজকর্মকে ঠিক ভাবে চালায়। এর অভাবে কী হবে? হার্ট বিট হার বেড়ে যাবে বা অনিয়মিত হয়ে পড়বে। দেখা দেবে কার্ডিয়াক স্ট্রেস, হার্ট অ্যাটাক বা হার্ট ফেলিওরের মতো দুর্ঘটনা।

৭) হবে হাড়ের রোগ-
ক্র্যাশ ডায়েটের ফলে আরও যে খনিজের অভাব শরীরে দেখা যায় সেটি হল ক্যালসিয়াম। আমরা জানি, ক্যালসিয়াম হাড়ের ক্ষয়রোধকারী উপাদান। এর ঘাটতি মানেই নির্দিষ্ট বয়সের আগেই দ্রুত হাড়ের ক্ষয় বা অস্টিওপোরোসিস। এর থেকে অল্প আঘাতেই হাড় ভেঙে যাওয়া কিংবা আর্থরাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

Source: sharshongbad
Read More

Payoneer's Offer!



Designed By Seo Blogger Templates